About Advocate Narayan Das

শ্রী নারায়ণ দাস—একজন আইনজীবী, লেখক এবং সমাজসচেতন নাগরিক। আমি এম.এ. ও এলএল.বি. ডিগ্রিধারী এবং আশুতোষ কলেজ, কলকাতা–এর প্রাক্তন ছাত্র। চরম আর্থিক প্রতিকূলতা, সামাজিক বৈষম্য ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমার শিক্ষা ও জীবনের যাত্রা শুরু।এই বাস্তব অভিজ্ঞতাই আমাকে উপলব্ধি করিয়েছে—আইন শুধু আদালতের জন্য নয়, মানুষের জন্য।আইনজীবী হিসেবে আমার দায়িত্ব শুধু মামলা পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং আইন ও সংবিধানকে সাধারণ মানুষের ভাষায় ব্যাখ্যা করাও একটি সামাজিক কর্তব্য।এই ওয়েবসাইটে কোনো ব্যক্তিগত আত্মজীবনী নয়—বরং কাজের দর্শন, অভিজ্ঞতা ও জনস্বার্থমূলক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে।

Shri Narayan Das—an Advocate, author and socially conscious citizen.I hold B.A. (HONOURS) and LL.B. degrees and am an alumnus of Ashutosh College, Kolkata under UNIVERSITY OF CALCUTTA and NORTH ORISSA UNIVERSITY.I obtained an MA decree in CRIMINOLOGY & POLICE CIENCE from M.S.U, Tamilnadu. My journey in education and life began amid severe financial hardship, social inequality, and struggle.These lived experiences shaped a fundamental belief—“Law is not meant only for courts; it is meant for people.”As an Advocate, my responsibility extends beyond litigation to explaining law and the Constitution in a language accessible to ordinary citizens.This website is not a personal biography; it reflects a philosophy of work, experience, and public interest.

0 +

Years of Legal & Social Engagement

0 +

Institutions Reached Through Awareness Initiatives

0 +

Educational & Non-Profit Publications

লেখক পরিচিতি : শ্রী নারায়ণ চন্দ্র দাস ওরফে নারায়ণ দাস

জীবন থেকে জন্ম নেওয়া এক দর্শন—

কিছু মানুষের জীবন কেবল ব্যক্তিগত উত্থান–পতনের গল্প নয়; তা ধীরে ধীরে একটি সময়, একটি সমাজ এবং একটি প্রজন্মের কথিত ইতিহাসে পরিণত হয়। নারায়ণ দাসের জীবন তেমনই এক দীর্ঘ ধারাবাহিক প্রবন্ধ—যেখানে দারিদ্র্য, সংগ্রাম, শিক্ষা, আইন, সাহিত্য ও সামাজিক চেতনা একে অপরের সঙ্গে মিশে গিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনচিত্র নির্মাণ করেছে। এই লেখা কোনো আত্মপ্রচারমূলক বিবরণ নয়; এটি একটি জীবনের যাত্রাপথের সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর দলিল।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন-সংলগ্ন অঞ্চল—জয়নগর, কুলতলি, ক্যানিং ও রায়দিঘি—এই বিস্তৃত গ্রামবাংলাই ছিল তাঁর শৈশবের ভৌগোলিক মানচিত্র। রামপুর অববতনির প্রাথমিক স্কুল, গোপালগঞ্জ বি.কে.আর.এম. ইনস্টিটিউশন এবং দেবীপুর হাই স্কুল—এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে তাঁর বেড়ে ওঠার গল্প। মাটির কুঁড়েঘরে জন্ম নেওয়া এই শিশুটি ছিলেন পিতা–মাতার অষ্টম সন্তান। তাঁর মাতা স্বর্গীয়া জানকী দেবী এবং পিতা স্বর্গীয় হরিপদ দাস—পেশায় কৃষক ও মৎস্যজীবী—ছিলেন সৎ ও পরিশ্রমী মানুষ। চরম দারিদ্র্য ছিল তাঁদের নিত্যসঙ্গী। সেই অভাবের মধ্যেই বেড়ে ওঠা এই শিশুর জীবনে ঠাকুরমা ছিলেন এক নীরব আশ্রয়—বন্ধুর মতো আগলে রাখা গভীর স্নেহ ও নির্ভরতার প্রতীক।

এই ঠাকুরমার স্নেহের পাশাপাশি নারায়ণ দাসের শৈশব ও কৈশোরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তাঁর বড় ও মেজো দাদারা। নিজেরা পড়াশোনার সুযোগ বা দক্ষতা সেভাবে না পেলেও ছোট ভাইকে ঘিরে তাঁদের স্বপ্ন ছিল গভীর ও অটল। তাঁরা চাইতেন—এই শিশু পড়াশোনা করবে, এগিয়ে যাবে, নিজের বংশের মুখ উজ্জ্বল করবে এবং দেশের জন্য কিছু করবে। সেই বিশ্বাস থেকেই তাঁরা নিয়মিত তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন—যতটুকু পেরেছেন, যতটুকু বুঝেছেন, ঠিক ততটুকুই নিঃস্বার্থভাবে দিয়ে গেছেন। এই যাত্রায় মাতা, ঠাকুরমা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক–শিক্ষিকারাও একসঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভাব, সীমাবদ্ধতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও তাঁরা একবাক্যে বলতেন—পড়াশোনা থামানো যাবে না। এই সম্মিলিত বিশ্বাসই নারায়ণ দাসের মনে ছোটবেলা থেকেই এক গভীর দায়িত্ববোধের জন্ম দেয়।

এই পারিবারিক পরিমণ্ডল থেকেই নারায়ণ দাস প্রথম মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৬ সালে অর্জিত এই সাফল্য কেবল একটি সার্টিফিকেট ছিল না; তা ছিল একটি পরিবারের বহু বছরের অন্ধকারে জ্বলে ওঠা প্রথম আলো। এই মুহূর্ত থেকেই তাঁর জীবনে শিক্ষার গুরুত্ব একটি স্থায়ী ভিত্তি লাভ করে।

শৈশব থেকেই তাঁর চরিত্রে পাশাপাশি বেড়ে উঠেছিল দুটি প্রবল আকর্ষণ—খেলাধুলা ও বই। ফুটবল মাঠে তিনি ছিলেন পরিচিত মুখ; ছাত্রসমাজে স্বাভাবিকভাবেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। আবার মাঠ ছেড়ে বইয়ের পাতায় ডুবে থাকাও ছিল তাঁর নিত্য অভ্যাস। সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি এই গভীর অনুরাগ তাঁর চিন্তাভাবনাকে শাণিত করেছিল। মাঠের শারীরিক শৃঙ্খলা আর বইয়ের মননশীল জগৎ—এই দুইয়ের সমন্বয়েই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে তাঁর ব্যক্তিত্ব।

মাধ্যমিকের পর গ্রাম ছেড়ে শহরে আসা ছিল এক সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কাকার সহায়তায় তিনি গড়িয়ায় এসে আশুতোষ কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হন। এখান থেকেই শুরু হয় প্রকৃত সংগ্রামের জীবন। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশন করে জীবন চালানো, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, সংসারের দায়িত্ব—সব মিলিয়ে প্রতিটি দিন ছিল আত্মসংগ্রামের এক একটি অধ্যায়। ২০০১ সালে আশুতোষ কলেজ থেকে বাংলা অনার্স নিয়ে বি.এ. পাশ করার পর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি হলেও চরম দারিদ্র্যের কারণে সেই পর্যায়ের ডিগ্রি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তবুও তিনি হাল ছাড়েননি।

প্রভাব ও প্রেরণার উৎস :

এই শিক্ষাযাত্রার সূচনাপর্বে যাঁর অবদান বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য, তিনি হলেন নারায়ণ দাসের কাকা—স্বর্গীয় ননী গোপাল দাস। তিনি ছিলেন তাঁদের সমগ্র বংশের প্রথম স্নাতক এবং সেই অর্থেই এক যুগান্তকারী ব্যক্তিত্ব। পেশায় তিনি ছিলেন একটি হিন্দি স্কুলের শিক্ষক। এমন এক সময়ে শিক্ষার আলো তাঁদের পরিবারে প্রায় অনুপস্থিত ছিল, তখন তিনিই সেই আলো বহন করেছিলেন। শিক্ষাকে তিনি কেবল একটি পেশা হিসেবে দেখেননি; দেখেছিলেন মানবিক উৎকর্ষ ও আত্মনির্মাণের প্রধান মাধ্যম হিসেবে। ভাইপো নারায়ণ দাসের পড়াশোনার ক্ষেত্রে তাঁর নীরব অভিভাবকত্ব—শহরে এনে ভর্তি করানো থেকে শুরু করে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলিতে পাশে দাঁড়ানো—এই দীর্ঘ যাত্রাপথে এক গভীর ও স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে।

নারায়ণ দাসের মনন ও দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে যাঁদের শিক্ষাদান ও সান্নিধ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, তাঁদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন শিক্ষক ও গুণী ব্যক্তিত্ব। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় মহাদেব দাস, হাই স্কুলের ইতিহাসের শিক্ষক স্বর্গীয় সুবলচন্দ্র বল, বাংলার শিক্ষক শ্রী কালিপদ সরকার, জীবনবিজ্ঞানের শিক্ষক (জনপ্রিয় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক) স্বর্গীয় মহাদেব সামন্ত, বাংলার শিক্ষক ও কবি শ্রীযুক্ত অমলেন্দুকুমার প্রামাণিক, গণিত ও ভৌতবিজ্ঞানের শিক্ষক শ্রীযুক্ত হেমাংশু শেখর সেনাপতি এবং স্বর্গীয় অমিয় কুমার কুয়িলা, হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন আড়ি—এই নামগুলি তাঁর শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নৈতিক ও বৌদ্ধিক প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিলেন।

কলেজজীবনে আশুতোষ কলেজের জনপ্রিয় অধ্যক্ষ ড. শুভঙ্কর চক্রবর্তী ও স্বর্গীয় অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়, অধ্যাপক তপন কুমার বিশ্বাস ও কৃষ্ণা বসু—এই শিক্ষাবিদদের সান্নিধ্য তাঁর চিন্তাভাবনাকে আরও পরিণত করে তোলে। পাশাপাশি স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ ড. পবিত্র সরকার এবং প্রখ্যাত সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়—এই দুই ব্যক্তিত্ব তাঁর বর্তমান জীবনচিন্তা ও মননগঠনে বিশেষ প্রেরণাস্বরূপ বিবেচিত হন।

প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি স্তরেই শিক্ষকরা নারায়ণ দাসের স্বভাব, অধ্যবসায় ও মানবিক আচরণের জন্য তাঁকে বিশেষ স্নেহ ও আস্থার চোখে দেখেছেন। এই ভালোবাসা কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল না; বরং সম্ভাবনার প্রতি এক নিঃশব্দ বিশ্বাসের প্রকাশ। আজও অসংখ্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, উপাচার্য এবং শিক্ষাবিদ মহলে তিনি একজন হিতাকাঙ্ক্ষী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত—যাঁদের অনেকেই তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাযাত্রার নীরব সাক্ষী।

এই শিক্ষকদের আশীর্বাদ ও প্রত্যাশাই নারায়ণ দাসের জীবনে একটি স্থায়ী দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করেছে—সে দায়িত্ব নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার নয়, বরং অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে সমাজের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার।

কর্মজীবন ও বর্তমান পরিচিতি:

২০০৮ সাল থেকে তাঁর কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়। প্রথম পর্যায়ে তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ শুরু করেন। সেই সময় জীবিকার প্রয়োজনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করতে হলেও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল শেখা এবং নিজেকে গড়ে তোলা। কাজের ফাঁকে ফাঁকে সমাজ, আইন ও মানুষের জীবনসংগ্রামকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পান, যা তাঁর চিন্তাভাবনাকে আরও গভীর করে তোলে।

পরবর্তীকালে তিনি আইনচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে নিজেকে এই পেশায় প্রতিষ্ঠিত করতে শুরু করেন। একজন আইনজীবী হিসেবে তিনি কেবল মামলা পরিচালনার মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং সাধারণ মানুষের আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। আইনের জটিল ভাষাকে সহজ করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা তাঁর কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হয়ে ওঠে।

বর্তমানে তিনি একজন কার্যরত আইনজীবী হিসেবে বিভিন্ন আদালতে নিয়মিতভাবে উপস্থিত থাকেন। পাশাপাশি তিনি লেখালেখি, আলোচনা সভা, শিক্ষা ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে আইন ও সংবিধান সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর কাজে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস—আইন কেবল আদালতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; আইন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত।

আইনি পেশার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে চলেছেন। আইন, সমাজ ও মানবিক মূল্যবোধকে একসূত্রে গেঁথে একটি দায়িত্বশীল নাগরিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তাঁর এই পথচলা আজও অব্যাহত।

কিছু কিছু মানুষের জীবন কেবল নিজের জীবনের গল্প নয়; তা ধীরে ধীরে একটি সমাজের চিন্তা ও চেতনার প্রতিনিধিত্ব করতে শুরু করে। শ্রী নারায়ণচন্দ্র দাস তেমনই একজন মানুষ, যাঁর জীবন ও কাজ সমাজের সাধারণ মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। শিক্ষা, আইন, সাহিত্য ও সামাজিক সচেতনতার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা তাঁর জীবনদর্শন আজ বহু মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস।

গ্রামবাংলার এক প্রান্তিক পরিবেশে জন্ম নেওয়া নারায়ণ দাস ছোটবেলা থেকেই অভাব ও সংগ্রামের সঙ্গে পরিচিত। দারিদ্র্য তাঁর পথচলাকে কঠিন করলেও তা কখনও তাঁর মনোবল ভাঙতে পারেনি। পরিবারের সহযোগিতা, শিক্ষকদের স্নেহ এবং বিশেষভাবে কাকা স্বর্গীয় ননী গোপাল দাসের প্রেরণায় তিনি শিক্ষার আলোয় এগিয়ে যান। শিক্ষাকে তিনি কেবল পেশাগত সাফল্যের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং সামাজিক মুক্তির হাতিয়ার হিসেবে দেখেছেন।

শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিয়েছেন। সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ তাঁর চিন্তাকে পরিণত করেছে। আইন শিক্ষায় দীক্ষিত হওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন—আইন তখনই অর্থবহ, যখন তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয় এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার কাজে ব্যবহৃত হয়।

এই উপলব্ধি থেকেই তিনি আইনের জটিলতা ভেঙে সহজ ভাষায় মানুষের কাছে আইন ও সংবিধানের কথা তুলে ধরার কাজে নিজেকে যুক্ত করেন। তাঁর বিশ্বাস—সংবিধান কেবল আইনজ্ঞদের জন্য নয়; এটি প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও দায়িত্বের দলিল। এই দর্শনেরই বাস্তব প্রকাশ হিসেবে গড়ে ওঠে তাঁর বিভিন্ন লেখালেখি, আলোচনা ও সামাজিক উদ্যোগ।

বর্তমানে নারায়ণ দাস একজন কার্যরত আইনজীবী হিসেবে আদালতে কাজ করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছেন। সমাজের প্রান্তিক মানুষ, শ্রমজীবী শ্রেণি ও সাধারণ নাগরিকদের আইনগত অধিকার সম্পর্কে সচেতন করাই তাঁর কর্মজীবনের মূল লক্ষ্য।

এই দীর্ঘ পথচলায় তাঁর জীবন ও কর্ম একত্রে একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে—ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে সমাজের কল্যাণ বড়, আর শিক্ষা ও আইন সেই কল্যাণের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।

PHILOSOPHY & PUBLIC PURPOSE

Law and the Constitution often seem complex to ordinary citizens, creating fear and confusion. This platform simplifies law, promotes constitutional awareness, and encourages informed citizenship—presented in a humane and accessible way.
আইন ও সংবিধান সাধারণ মানুষের কাছে প্রায়ই জটিল ও ভীতিকর মনে হয়। এই প্ল্যাটফর্ম আইনকে সহজ করে তুলে ধরে, সাংবিধানিক সচেতনতা বাড়ায় এবং সচেতন নাগরিকত্বকে উৎসাহিত করে।
Professional Engagements | সহযোগিতামূলক কার্য-অভিজ্ঞতা

PROFESSIONAL EXPOSURE

As part of my legal journey, I have appeared before various courts across jurisdictions. These references are indicative only and do not imply specialization or solicitation.

আমার আইনজীবী জীবনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন আদালতে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই উল্লেখগুলি কেবল ইঙ্গিতমাত্র—এগুলি কোনও বিশেষজ্ঞ দাবি বা পেশাগত আহ্বান বোঝায় না।

Law operates on clear principles, not unnecessary complexity

আইন স্পষ্ট নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত

Legal processes become easier when correctly understood

সঠিকভাবে বুঝলে আইনি প্রক্রিয়া সহজ হয়

Fear of law often arises from lack of awareness, not from law itself

আইন নিয়ে ভয় মূলত অজ্ঞতা থেকেই জন্ম নেয়